স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে তিন নির্বাচন কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সিইসি। প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটের বৈঠকে জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও নিরপেক্ষ, পেশাদার ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশনের কোনো ঘাটতি নেই। আচরণবিধিমালা আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে ফেরত এসেছে। এখন সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল তৈরির কাজ চলছে। সবুজ সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করা হবে।
তিনি জানান, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনও ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। দুটি নির্বাচন যাতে সাংঘর্ষিক না হয়, সেভাবেই সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
সিইসি বলেন, আশা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই একটি তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তবে নির্বাচন শেষ হতে আগামী বছরের শুরু পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। যেসব ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ আগেই শেষ হয়েছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
তিনি আরও জানান, দেশে ও প্রবাসে থাকা ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের সুযোগ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সীমিত পরিসরে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যে মান বজায় রাখা হয়েছিল, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ন্যূনতম সেই মান, গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হবে। ভোটারদের ইচ্ছাই হবে চূড়ান্ত—এমন ‘ভোটার সার্বভৌমত্ব’ প্রতিষ্ঠায় কমিশন বদ্ধপরিকর।

