রামুতে বিশ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের জের ধরে মাদক কারবারী কর্তৃক অপহরণের শিকার হন মধ্য বয়সী নারী রাশেদা বেগম। তিনি পশ্চিম চাকমারকুলে ৯ ওয়ার্ড ডেইঙ্গা পাড়ার কবির আহমদ প্রকাশ কবির মেম্বারের স্ত্রী। অপহৃত নারীকে উদ্ধার এবং বিপুল সংখ্যক মাদক আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়েছে একটি চক্র। এই চক্রে রয়েছে- খরুলিয়ার মৎসজীবিদল নেতা রহমত উল্লাহ, পাহাড়খেকো হিসেবে চিহ্নিত থানার দালাল মোক্তার এবং তার অপর সহযোগী প্রতারণায় অভিযুক্ত মাশুক।
এদিকে চক্রটি পুলিশের কাছে তথ্য গোপন করে সুকৌশলে অপহৃত নারী রাশেদা বেগমকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। সেই সাথে কথিত ওই ভিকটিমের ছেলে মাদক কারবারী কামাল ও তার বন্ধু জাহাঙ্গির আলম বাদশার কাছে রয়ে গেছে ২০ হাজার পিস ইয়াবা। চক্রটির এমন আয়নাবাজি টের পেলে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ একে ফজলুল হক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২০ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা ৩টার দিকে। রামু দুবাই ফিউচার পার্কের উত্তর পাশে বিশ হাজার ইয়াবা নিয়ে উপস্থিত হন নাইক্ষ্যংছড়ির কম্বনিয়া এলাকার মাদক কারবারী জয়নাল। সেখানে উক্ত ইয়াবাগুলো হাতবদল হবার কথা ছিলো খরুলিয়ার দুই যুবকের কাছে। তারা হলেন কামাল ও তার সহযোগি জাহাঙ্গীর আলম বাদশা। এদের মধ্যে কামাল অপহরণের শিকার নারী রাশেদা বেগমের ছেলে। এবং দুজনই চিহ্নিত মাদক কারবারী। অন্যদিকে অপর মাদক কারবারী জয়নালের দুরসম্পর্কের বোন হন রাশেদা। এসুবাধে রাশেদাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জয়নাল দুইদিন জিম্মি করে রাখে। পরে পুলিশী অভিযানের ভয়ে ছেড়ে দেন ভিকটিমকে।
জয়নালের দাবী- কামাল ও বাদশার কাছে তিনি ২০ হাজার ইয়াবার বিনিময় মূল্য হিসেবে প্রায় ২১ লক্ষ টাকা পাবেন। একারণে তিনি কামালের মা রাশেদাকে জিম্মি করে ওই টাকা উদ্ধার করতে চেয়েছেন। পরে পুলিশী অভিযানের ভয়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

