২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কক্সবাজার জেলায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.০৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ হাজার ১২৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০ হাজার ৩৪৯ জন ন্যূনতম জিপিএ ১.০০ অর্জন করেছে। জেলায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯৯ জন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজ্ঞানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৩২ জন। এ বিভাগে উপস্থিত ৪ হাজার ৯৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়ার হার ১৬.৬৬ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ৮ হাজার ৪৬৪ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪ হাজার ৬৭১ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫ জন।
লিঙ্গভিত্তিক হিসাবে, জেলায় পরীক্ষায় উপস্থিত পুরুষ শিক্ষার্থী ছিল ৭ হাজার ৪৫৪ জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। অন্যদিকে ১০ হাজার ৬৭৪ জন নারী পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১১ জন।
রামুতে পাসের হার ৫৯.২২ শতাংশ
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১ হাজার ৪২১ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮৪৩ জন। উপজেলায় পাসের হার ৫৯.২২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০২ জন।
ফলাফলে রামুর বাঁকখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। বাঁকখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের ২৬ পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে, যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন।
এ ছাড়া রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে পাসের হার ৯৮.৭৯ শতাংশ এবং ২৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ে পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম। গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০.১৬ শতাংশ, কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৯.৭৬ শতাংশ, ধেছুয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৯.১৭ শতাংশ এবং জুমছড়ি বদিউল আলম স্মৃতি বিদ্যাপীঠে ২৫.৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সবচেয়ে কম পাসের হার ইনানী অ্যাডভোকেট আমির হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে—২০ শতাংশ।

