বাংলাদেশের মাইক্রোফাইন্যান্স খাত গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ লক্ষ দরিদ্র পরিবার মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার আওতায় এসেছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তারা মাইক্রোক্রেডিটের মাধ্যমে ছোট ব্যবসা শুরু করছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, "মাইক্রোফাইন্যান্স আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াচ্ছে। আমরা এই খাতের তদারকি জোরদার করছি এবং সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করছি।"
মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু ঋণই নয়, সঞ্চয়, বীমা ও রেমিট্যান্স সেবাও দিচ্ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেবা প্রদান সহজতর করা হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে মাইক্রোক্রেডিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মাইক্রোফাইন্যান্স দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে ঋণখেলাপি ও সুদের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
